Friday, June 21, 2024

Ghfx

Blogspot Example

Wednesday, April 17, 2024

উদ্যোক্তার ভয়াবহ ৫ ভুল! (পরবর্তী পৃষ্ঠা)

প্রশ্ন : স্যার, ফান্ড পাব কোথায়?

সঠিক প্রশ্ন : ফান্ড বানানোর স্কিল শিখব কোথায়?

আপনার স্কিল থাকলে ফান্ডের জন্য আপনি আটকে থাকবেন না। ফান্ড তখন ভূতে যোগাবে।

টাকা আপনার বিজনেসকে সফল করবে না। বরং টাকাকে প্রপার কাজে লাগানোর স্কিল আপনার বিজনেসকে সফল করবে।

“Money doesn't make you money in business. Skill

of using money makes you money.

66

এই একটা ভুলের জন্য কত উদ্যোক্তা যে ভীষণ কষ্টে ভুগছে তার হিসেব নেই। না বুঝে বিজনেসে টাকার পর টাকা ঢেলেছেন। ব্যবসায় লাভের মুখ দেখেননি। শুধুই লস করেছেন। এখন সর্বস্ব হারিয়ে বিভীষিকাময় দিনযাপন করছেন। ফান্ড পাওয়াকে যারা সফলতা ভাবেন তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। ফান্ড রেজিং একটা লায়াবিলিটি এটা কোনও এচিভমেন্ট নয়। মিডিয়া এটাকে বড়ো করে হাইলাইট করে তাই ফান্ড পাওয়াটাকেই সফলতা মনে হয়। এই মিসলিডিং হাইপে গা ভাসাবেন না। বিল্ড ইয়োর ব্র্যান্ড ফর কাস্টমার নট ফর ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট।

সাবধান!

বিজনেসে আপনার স্কিল, স্ট্রাটেজি ও সিস্টেম যদি আপ টু দ্য মার্ক না হয়, তখন সেই বিজনেসে আপনি যত টাকাই ঢালেন কোনও লাভ হবে না। টাকা ঢেলে আপনি সমস্যা সমাধান করছেন না বরং সমস্যা আরও বাড়াচ্ছেন। আপনি তখন আরও দায় তথা ঋণের জালে জর্জরিত হতে থাকবেন।

Outdated Strategies + Broken Systems + Incapable teams = Successful Failure (Money will not save you )

আপনি স্কিলড হলে ফান্ড কাজে লাগাতে পারবেন। আদারওয়াইজ এই ফান্ড হবে বিপদের কারণ। টাকা আপনাকে বাঁচাতে পারবে না।আমরা স্কিল-স্ট্রাটেজি কিচ্ছু না শিখেই কিছু টাকা আর মায়ের দুআ নিয়ে মাঠে নেমে যাই।

উদ্যোক্তার ভয়াবহ ৫ ভুল! (দ্বিতীয় অংশ)

 কাশ মেশিন

ন্যাচারলস আমার ফাউন্ডেড ব্র্যান্ড কিন্তু আমি এটা চালাই না। জাস্ট ওপর থেকে হালকা মনিটরিং করি। আসলে এটাই হওয়া উচিত একজন উদ্যোক্তার

আলটিমেট গোল।

কখন বুঝবেন আপনি একজন সফল উদ্যোক্তা ?

যখন দেখবেন আপনার উদ্যোগ বা বিজনেস আপনাকে ছাড়াই চলছে। এও কি সম্ভব?

জি ভাই আলবত সম্ভব। সফল উদ্যোক্তারা এটা সম্ভব করতে পারেন বলেই এত নতুন নতুন উদ্যোগ হাতে নিতে পারেন। আমি নিজেও এটা সম্ভব করেছি। আমরা চিফ এভরিথিং অফিসার গিয়েই বিপত্তি বাধাই। বিজনেস এক জায়গায় স্টাক হয়ে যায়। ভাই, আপনি সব করলে বিজনেস স্কেলাপ করবেন কীভাবে? ২০/৫০ টা কোম্পানির মালিক হবেন কীকরে? গ্রুপ অব কোম্পানি বানাবেন কীভাবে?

সফল উদ্যোক্তা জার্নি মানে হচ্ছে, CEO থেকে CNO হয়ে ওঠা।

“If your business depends on you, you don't own a business-you have a job, and it's the worst job in the world because you're working for a lunatic !” একটু চিন্তা করে দেখুন তো আপনি বিজনেস চালান নাকি বিজনেস আপনাকে চালাচ্ছে?

আপনি বিজনেসের ফাউন্ডার বা মালিক হন, বিজনেস যেন আপনার মালিক না হয়ে যায়।

'You have to own your business, rather than busi-

ness owning you.'

সফল উদ্যোক্তা হতে আপনাকে CEO ( চিফ এভরিথিং অফিসার) নয়, হওয়া লাগবে CNO (চিফ নাথিং অফিসার)।

৩। টাকাকেই সকল সমস্যার সমাধান ভাবা।

উদ্যোক্তাদের থেকে আমি সবচেয়ে বেশি পাই ফান্ডিং বিষয়ক প্রশ্ন। অথচ এটা

মারাত্মক একটা ভুল প্রশ্ন!

উদ্যোক্তার ভয়াবহ ৫ ভুল!

উদ্যোক্তার ভয়াবহ ৫ ভুল!

ভুলে ভুলেই কাটে বেশিরভাগ বাংলাদেশি উদ্যোক্তার জীবন। বিজনেসে অসংখ্য ভুলের মধ্যে কিছু ভুল থাকে খুবই ভয়াবহ। যেগুলোকে আমি বলি Costly Mistake! এরকম কস্টলি মিসটেইকস উদ্যোক্তার বড়ো অর্জনের পথে প্রধান অন্তরায়। এমনকি ব্যবসা বন্ধেরও কারণ। চলুন দেখি এরকম ভয়ংকর ৫ টি ভুল !

অজ্ঞতা থেকে উদ্যোক্তারা যে ৫ টি ভয়াবহ ভুল করেন :

১। শুধু পণ্যই বা সার্ভিসে ফোকাস দেওয়া।

২। একাই সব করা (CEO - চিফ এভরিথিং অফিসার হয়ে যাওয়া)।

৩। টাকাকেই সকল সমস্যার সমাধান ভাবা।

৪। মানি ম্যানেজমেন্টে গাফিলতি

৫। বিজনেস স্কিল শেখায় অনাগ্রহ

১। শুধু পণ্য বা সার্ভিসে ফোকাস দেওয়া।

আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন অ্যাপল, কোকাকোলা, নাইকি, অ্যাডিডাসের মতো পৃথিবীর বিখ্যাত ব্র্যান্ডগুলো কেন নিজেরা পণ্য বানায় না? কারণ পণ্য এখন যে কেউ বানাতে পারে। যা পারে না তা হচ্ছে, মানুষের মাইন্ড দখল করতে, কাস্টমারের সাথে ইমোশনাল কানেকশন তৈরি করতে ( আরও ডিটেইলস পড়ুন মার্কেটিং ম্যাজিক অধ্যায়ে)। বাংলাদেশে উদ্যোক্তারা শুধু পণ্য খোঁজে আর প্রডাক্ট ডেভেলপমেন্ট নিয়ে পাগলপ্রায় হয়ে যায়। কোটি কোটি টাকা ফ্যাক্টরির পেছনে খরচ করে কিন্তু মার্কেটিংয়ের বাজেট থাকে না। এদেশে বিরাট ফ্যাক্টরি আর আলীশান অফিস না হলে উদ্যোক্তাদের শরীরে যেন ভাব আসে না। ব্যবসায় বড়ো হবার আগে এসব ব্যয় করা মানে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারা।

ম্যাকডোনাল্ডস কিন্তু সেরা স্বাদের বার্গার বানিয়ে বিশ্বসেরা হয়নি। তাদের চেয়ে অনেক মজাদার, জুসি, হেলদি বার্গার রেস্টুরেন্ট আছে। তাহলে কেন ম্যাকডোনাল্ডস বিশ্বসেরা? বিকজ কনসিসটেন্সি ও অপারেশনাল এক্সিলেন্স। আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি আপনি সপ্তাহখানেক চেষ্টা করলে ম্যাকডোনাল্ডসের চেয়ে মজাদার বার্গার বানাতে পারবেন। কিন্তু ম্যাকডোনাল্ডসের মতো ব্র্যান্ডিং, অপারেশন ও কনসিসটেন্সি বজায় রাখতে পারবেন? এটা অসম্ভব কঠিন একটা কাজ।

পৃথিবীর যেকোনও প্রান্তে গিয়ে ওদের আউটলেটে বসুন সবখানে সেইম ফিল পাবেন। বার্গারের একই টেস্ট, সার্ভিসের একই রকম স্ট্যান্ডার্ড। ওরা দিনরাত এসব ডেভেলপ করার পেছনে সময় দেয়। আর আমরা পণ্য ভাবতে ভাবতেই দিন শেষ। ডোন্ট গেট মি রঙ আমি পণ্যকে গুরুত্ব দিতে নিষেধ করছি না। কিন্তু শুধু পণ্যতে একমুখী ফোকাস রাখলে আপনি জীবনেও বিগ ব্র্যান্ড বানাতে পারবেন না। কারণ দিনশেষে আপনাকে পণ্য নয়, বেঁচতে হবে ট্রান্সফরমেশন।

গাড়ি নয়, আপনাকে বিক্রি করতে হবে নিরাপদ যাত্রা।

ইনসুরেন্স নয়, বেঁচবেন পরিবারের প্রতি ভালবাসা। ফ্ল্যাট নয়, বেঁচুন প্রশান্তির নীড়।

ডায়মন্ড নয়, বেঁচবেন সিম্বল অব লাভ।

ব্রান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ Seth Godin বলেন,

"Marketing is no longer about the stuff you make, but the stories you tell"

২। একাই সব করা (CEO - চিফ এভরিথিং অফিসার হয়ে যাওয়া) এই রোগ বাংলাদেশের প্রায় সব উদ্যোক্তার মধ্যেই কমন। এরা একা সবকিছু করে প্রাউড ফিল করেন। সভা-সেমিনারে বলে বেড়ান আমি চিফ এভরিংথিং অফিসার। আমি তখন মুখ লুকিয়ে হাসি।

অন্যদিকে আমার ফেইসবুকের বায়োতে লেখা

CNO- Chief Nothing Officer, Naturals

ন্যাচারালস হচ্ছে আমার ফাউন্ডেড একটা অর্গানিক ফুড ব্র্যান্ড।

অনেকে কিউরিয়াস হয়ে জানতে চান আমি কি ভুল লিখেছি কিনা? চিফ নাথিং অফিসার মানে কী? কেন এরকম দিয়েছি? পরবর্তী পৃষ্ঠা 

Monday, April 8, 2024

টাকাই দেবে টেনশন নয়! ১ম পৃষ্ঠা | ক্যাশ মেশিন | Cash Machine Book

 টাকাই দেবে টেনশন নয়!

 আচ্ছা কল্পনা করুন তো, আপনার কাছে বৈধভাবে টাকা বনানোর একটা মেশিন আছে। নাম তার ক্যাশ মেশিন! কী করতেন ওরকম একটা মেশিন পেলে? মনে মনে বলছেন, আবার জিগায়? কী না করতাম সেটা বলেন। এমন একটা মেশিন পেলে জীবনে আর কী লাগে। টাকা বানাতাম আর পায়ের ওপর পা তুলে শাহান শাহ-এ-আলম, মহারাজা হয়ে দিন যাপন করতাম। জীবনের সব স্বাদ-আহ্লাদ পূরণ করতাম। ঋণ থাকত না, দান-খয়রাত তথা সমাজের কল্যাণে ব্যয় করতাম, রাজ প্রাসাদের মতো একটা বাড়ি বানাতাম, পুরো পৃথিবী ঘুরে বেড়াতাম। আরও কত্ত কী-যে করতাম তার ইয়ত্তা নেই। উফ! ভাবতেই মনের ভেতরটা প্রজাপতির মতো পাখা মেলে উড়ে বেড়াচ্ছে। এমন জিনিস ভাবলেও শরীরে একটা ভাব চলে আসে। নিশ্চয়ই, ভাবছেন এটাতো নিছক কল্পনা। সত্যিকারের ক্যাশ মেশিন পাওয়াতো আর সম্ভব নয়। সম্ভব ভাই, যদি বলি আপনার কাছে অলরেডি একটা ক্যাশ মেশিন আছে। বলেন কী ভাই? কই সেটা? আপনি উদ্যোক্তা বা বিজনেস করছেন মানেই আপনি একটা ক্যাশ মেশিনের মালিক। প্রতিটা বিজনেসই এককেকটা ক্যাশ মেশিন! সমস্যা হলো আমাদের বিজনেস নামের ক্যাশ মেশিন প্রপারলি ফাংশন করে না, আমরা চালাতে জানি না, ফ্রেমওয়ার্ক নাই, প্রসেস ফলো করি না। তাই আমাদের ক্যাশ মেশিন হয়ে যায় টেনশন মেশিন। দক্ষতার অভাবে বিজনেস টাকায় টেনশন নয়!

সেই আলটিমেট মানি মেকিং আর বিজনেস বিল্ডিং সিক্রেটগুলোই আমি •রিভিল করেছি এই বইয়ে। এই বই আপনাকে শিখিয়ে দেবে ক্যাশ মেশিন থেকে টাকা বানানোর পুরো পদ্ধতি।

চলুন তাহলে নেমে পড়ি ক্যাশ মেশিনে টাকা বানানোর মিশনে....

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ:

১। হার্ট দুর্বল থাকলে বইটা পড়া থেকে বিরত থাকুন।

২। ইনকাম গোল কোটি টাকার নিচে হলে বইটি পড়ার দরকার নেই।

২। বইটি পড়া শেষ করার আগেই ব্যাংক একাউন্টের লিমিট বাড়িয়ে নিন।

ক্যাশ মেশিন

আমাদের জন্য টাকা নয়, টেনশন প্রডিউস করে ।

ভাবুন তো, টাকা বানানোর জন্য শুধু ক্যাশ মেশিন থাকাই কি যথেষ্ট? সরকারের যে টাকা ছাপানোর মেশিন রয়েছে সেখানে কি অটোমেটিক টাকা

বের হতে থাকে?

না, শুধু মেশিন হলেই কাজ হবে না।

মেশিন থেকে টাকা প্রডিউস করার জন্য অনেকগুলো রসদ লাগে ( টাকা ছাপানোর কাগজ, সফটওয়্যার, বৈদ্যুতিক সংযোগ ইত্যাদি), কিছু স্পেসিফিক প্রসেস ফলো করতে হয় এবং দক্ষ কর্মী বাহিনী দরকার পড়ে। সবগুলো ধাপ ঠিক মতো বাস্তবায়ন হলে তখনই কেবল মেশিন থেকে টাকা বের হবে। আদারওয়াইজ মেশিনে সারাদিন গুতাগুতি করেও লাভ নেই। ভুল মেশিন কোনও টাকা নয়, দেবে টেনশন।

ঠিক তেমনি আপনার বিজনেস নামের ক্যাশ মেশিনটা আপনাকে কী দেয়? টাকা নাকি টেনশন? এই বইয়ের মেথড, স্ট্রাটেজি, প্রিন্সিপালস ও ফ্রেমওয়ার্কগুলো ঠিক মতো ফলো করুন আপনার বিজনেসও আপনাকে টাকাই দেবে টেনশন নয়!

ছোটো বেলায় প্রায়ই ভাবতাম, যদি টাকা বানানোর একটা মেশিন পেতাম। খুব মজা হতো।

মেশিন থেকে শুধু টাকা বের করতাম আর চকলেট, আইসক্রিম খেতাম, অনেকগুলো ক্রিকেট বল আর ব্যাট কিনতাম, টিফিনের সময় প্রতিদিন মোগলাই খেতাম, আর জেমস, হাসান, আউয়ুব বাচ্চু কিংবা প্রমিথিউসের সব সিডি কিনে ফেলতাম!

আহ! সেই দিনগুলি! কতই না রঙিন ছিল গ্রামে বড়ো হওয়া সেই ছেলেবেলা।

মজার ব্যাপার হলো সাকসেসফুল বিজনেস বিল্ড করার পর কল্পনার সেই ব্যাপারটাই এখন ধরা দিয়েছে। এখন ফিল হয় আসলেই আমি একটা ক্যাশ মেশিনের মালিক। কিন্তু ক্যাশ মেশিন থেকে টাকা বানানোর কোড টা আবিষ্কার করতে আমার ১৭ বছর লেগেছে । ফাইনালি আই হ্যাভ ক্র্যাকড দ্য কোড।

পরবর্তী  পৃষ্ঠা পড়ুন